বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, সকালে মধুর ক্যান্টিনে চেয়ার দখল করে নাশতা করা, বিকেলে টিএসসিতে যাওয়া। পড়ন্ত বিকেলে হাকিম চত্বরে আড্ডা। এভাবেই চলত আমাদের জীবন। প্রথম বর্ষেই যুক্ত হয়েছিলাম ছাত্ররাজনীতিতে।
৪.৭
আমি তাই অত্যন্ত দায়িত্বশীল নাগরিকের মতো পাশের একটি টেবিল থেকে একটি সসের বোতল নিয়ে এসে আমাদের টেবিলে রাখলাম। ব্যস, ঠিক তখনই ঘটল ইতিহাস। পাশের টেবিলে বসা চশমা পরা, হালকা-পাতলা এক মেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলে উঠল, ‘মামা, সস দেন!’
০
বৃষ্টির দিনে লাইব্রেরির পরিবেশ হয়ে উঠত আরও মনোমুগ্ধকর। জানালার কাঁচে টুপটাপ বৃষ্টির ফোঁটা আর তার সঙ্গে বইয়ের পাতা উল্টানোর শব্দ আমাকে এক অন্য জগতে নিয়ে যেত। মনে হতো, এই নীরবতার মাঝেই লুকিয়ে ছিল অসংখ্য স্বপ্ন।
রুমে ফিরে চা বানালাম। একটু পর আরেকজন আবার কফি বানাল। বাইরে ঝুম বৃষ্টি, হাতে গরম কফির মগ, আর রুমমেটরা মিলে গল্প, এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!
৫
ক্লাস শেষে আমরা কয়েকজন সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির নিচে গোল হয়ে আড্ডা দিতাম। কখনও বসতাম কলাভবনের সামনের বটগাছটার নিচে। হাতে ফুড হাটের চা। আর অফুরন্ত আড্ডা। সেই আড্ডায় দেশ উদ্ধার হতো, প্রেম নিয়ে হাসাহাসি হতো, পরীক্ষার আগের রাতের প্যানিক শেয়ার হতো। সময়ের কোনো হিসেব ছিল না তখন।
নব্বুইয়ের দশকের প্রথমার্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আড্ডা-সংস্কৃতির অনুপম এক চিত্র ফুটে চিররঞ্জন সরকারের লেখায়। সময় বয়ে চলেছে। জীবন এসেছে নানাবিধ পরিবর্তন। কিন্তু আড্ডা ছাড়েনি লেখককে। লেখক নিজেও আড্ডা ছাড়া জীবন ভাবতে পারেন না।
৪.৫
ক্যান্ডি এলো কীভাবে? ০
কামারধায় শীতকাল ৪.৫
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সোনালী দিনগুলি ৪.৭
চায়ের ইতিহাস ০
জীবনের ছোট ছোট নির্যাস ০
আমাদের সম্পর্কে ৩.৯
সংবেদনশীল মানুষরা সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন: ডা. ফওজিয়া মোসলেম ৪.২
জীবনের গোলকধাঁধা: এক স্বপ্নভ্রমণের খতিয়ান ৩.৬
সাবাতিনার কী হয়েছিল? ৪
ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি ৪
২.৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৬ জীবনজয়ী