ক্লাস শেষে আমরা কয়েকজন সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির নিচে গোল হয়ে আড্ডা দিতাম। কখনও বসতাম কলাভবনের সামনের বটগাছটার নিচে। হাতে ফুড হাটের চা। আর অফুরন্ত আড্ডা। সেই আড্ডায় দেশ উদ্ধার হতো, প্রেম নিয়ে হাসাহাসি হতো, পরীক্ষার আগের রাতের প্যানিক শেয়ার হতো। সময়ের কোনো হিসেব ছিল না তখন।
৫
নব্বুইয়ের দশকের প্রথমার্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আড্ডা-সংস্কৃতির অনুপম এক চিত্র ফুটে চিররঞ্জন সরকারের লেখায়। সময় বয়ে চলেছে। জীবন এসেছে নানাবিধ পরিবর্তন। কিন্তু আড্ডা ছাড়েনি লেখককে। লেখক নিজেও আড্ডা ছাড়া জীবন ভাবতে পারেন না।
৪.৫
চারতলা লাল ইটের বিশাল হল। দেখেই ভালো লেগে যায়। ভেতরে গিয়ে অফিসের কাজ সারি। আমার জন্য একটি সিটও বরাদ্দ দেওয়া হয় সঙ্গে সঙ্গে। আমার ঠাঁই হয় একতলার ১১২ নম্বর রুমে। রুমমেট তিনজন, সবাই সিনিয়র।
২
অনেক বছর পর, যদি জিজ্ঞেস করা হয়, “তোমার জীবনের সেরা সময় কোনটা?” আমি এক কথায় উত্তর দেব, “ঢাবি ক্যাম্পাসে আমার ফেলে আসা দিন, আমার বন্ধুরা, আমাদের সুখ-দুঃখ।” এই ক্যাম্পাসে কতশত স্মৃতি, কত সুন্দর সময় কাটিয়েছি... লিখতে গেলে ঠিক গুছিয়ে উঠতে পারি না।
৪.৭
আমি প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার ঝিনাইদহ সদর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতাম। আমার স্বামী নিজে গাড়ি চালিয়ে আমাকে নিয়ে যেতেন এবং আবার নিয়ে আসতেন। বলতে কী, আমার নতুন পথচলার সবচেয়ে বড় সঙ্গী ছিলেন আমার স্বামী ও মেয়ে। আমি যখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, মেয়ে তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত।
একটা ঘরে চল্লিশ-পঞ্চাশ জন ছাত্র। এ যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্রে সবাই শরণার্থী। মেঝেতে বিছানা পাতা, আবার কারো বিছানা নেই। প্রায় খাটের নিচে, আলমারির পাশে, এমনকি দরজার ফাঁকা জায়গাতেও কেউ কেউ শুয়ে আছে। কারো নির্দিষ্ট বিছানা নেই, নির্দিষ্ট সময়ও নেই ঘুমানোর। কেউ পড়ছে, কেউ গল্প করছে, কেউ গিটার বাজাচ্ছে,
ঢাবিতে সোনাঝরা দিনগুলি ৫
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬: পর্ব চার — সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সময়ের অপচয় এবং পণ্য ফাঁদ ৪
বই পড়ে অন্য এক জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম ৫
পুরুষশাসিত চীনে যেভাবে হলো এক নারীর উত্থান ৩.৭
বুকুলেইকি: ফুলে ভরা মণিপুরী এক গ্রাম ৫
আমাদের সম্পর্কে ৩.৯
সংবেদনশীল মানুষরা সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন: ডা. ফওজিয়া মোসলেম ৪.২
জীবনের গোলকধাঁধা: এক স্বপ্নভ্রমণের খতিয়ান ৩.৬
সাবাতিনার কী হয়েছিল? ৪
ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি ৪
২.৬
০
৪
৩.৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৬ জীবনজয়ী