কথা বলি

ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি


  • সুস্মিতা হোসেন স্বর্ণালী ও ইফতি সরকার  ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জ |
  • প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ২২:৪৩
ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি
ফোটো: জীবনজয়ী

সুস্মিতা হোসেন স্বর্ণালী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত আছেন। গত বছরের জুলাই মাসে সুস্মিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের একটি দলের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জের ভবেরচর গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁর দেখা হয় স্থানীয় তরুণ ইফতি সরকারের সঙ্গে। ইফতি তখন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষের দিকে। এখন তিনি উচ্চশিক্ষার্থে অস্ট্রেলিয়ায়।

ভবেরচরে দুপুরের খাবারের বিপুল আয়োজন করে রেখেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী। তার বাড়ির দিকে যাবার সময় সুস্মিতার সঙ্গে ইফতির পরিচয় হয়। সে সময় জীবনজয়ীর পক্ষ থেকে ‘কথা বলি’র আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়ে দুজন সোজা আলাপে ঢুকে যান। সেই আলাপ খাবার টেবিল, নৌকা, নদীর চর হয়ে সন্ধ্যায় নদীর ঘাটের চায়ের দোকান পর্যন্ত গড়ায়। কয়েক ঘণ্টার আলাপের পরে একে অপরকে নিয়ে কি ভেবেছিলেন তা রইলো লেখা নীচে। 

সুস্মিতা: এর আগে আমি কখনো কাউকে পাইনি যে বলেছে, ‘আমি আমার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট। আমি যা চেয়েছি তাই পেয়েছি!’ 

প্রথমে ইফতিকে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

ইফতির সঙ্গে প্রথম দেখা কাওসার পাঠান ভাইয়ের বাড়িতে যাবার পথে। কিন্তু নির্দিষ্ট করে কথা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউছার পাঠান আমাদের জন্য খাবারদাবারের এক এলাহি আয়োজন করেছি্লেন, সেখানে তার সঙ্গে হাসিখুশি প্রাণবন্ত এক তরুণ আমাদের পরিবেশন করছিল। তাকে দেখে প্রথমেই মনে হলো, বাহ্! খুবই প্রাণোচ্ছল, ঝলমলে এক মিশুকে ছেলে তো! খুবই স্বতঃস্ফূর্ত গল্পের আসরে একসময় তার নাম জানলাম। ইফতি!

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

শুরুতে ওর গ্রাম, এলাকা, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য, ফুটবল খেলা নিয়ে আমাদের বলছিল। প্রথমে আমিই ওকে জিজ্ঞেস করলাম, হামদর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়? ও পুরো অবস্থানটা খুব উৎসাহের সঙ্গে জানাল। এটাও জানলাম যে সেখানে ও ইংরেজি বিষয়ে দ্বিতীয় বর্ষে অনার্স পড়ছে। 

একপর্যায়ে বৃষ্টি দেখে সবাই কাওসার ভাইয়ের চিলেকোঠার ঘরে আড্ডা মারতে গেলাম। টুপটাপ বৃষ্টির মধ্যে গরম চায়ের কাপে হঠাৎই ভূতের গল্প শুরু হলো। ইফতি নাকি একবার বন্ধুদের সাথে বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিল। সেখানে ওরা অতিপ্রাকৃত কিছু ব্যাপারস্যাপারের মুখোমুখি হয়! এরপর শুরু হলো সবার শোনা ভূতের গল্পের আসর! বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে গা–ছমছমে এক বৃষ্টিমুখর সময়ে ইফতি তার কৈশোরসুলভ আগ্রহ নিয়ে আমাদের গল্প শোনাচ্ছে। এভাবেই আসলে ইফতির সাথে আমার আলাপের সূচনা। 

কোন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বললেন আপনারা? 

ইফতির সঙ্গে পাঁচ-ছয় ঘণ্টা সময়ের আলাপে আমরা অসংখ্য বিষয়ে কথা বলেছি। আর সময়টা শুধু একটি জায়গাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের ফিরতি রাস্তা থেকে কাওসার ভাইয়ের চিলেকোঠা, সেখান থেকে কাজলা নদীতে ট্রলারে ভ্রমণ, কাজলা নদীর চর — সময় আর অবস্থান পাল্টানোর সাথে সাথে আমাদের আলাপও কাজলা নদীর সরল ঢেউয়ের মতো নিজস্ব গতিতে এগিয়েছে। পারিবারিক টুকিটাকি গল্প থেকে দর্শন, সাহিত্য, ভূতের গল্প, খেলাধুলা, রাজনৈতিক মজাদার বিষয়, ওর স্ত্রী-বন্ধুবান্ধব-পড়াশোনা-শখ-ভবিষ্যৎ ভাবনা এমনকি ওর কাছ থেকে কাজলা নদীর আশপাশের নয়নাভিরাম জায়গাগুলো দেখতে দেখতে সেসবের বর্ণনা, অপর পার্শ্বের কুমিল্লার দাউদকান্দির ভূগোল—সর্বোপরি কী ছিল না আমাদের আলাপে!

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

মানসিকভাবে আমরা দুজনই মুক্তমনা, সে জন্য অমিল তেমন কিছু হয়নি।

পার্থক্য শুধু বয়সের সাথে সাথে আসা পরিপক্বতার। শহরে অভ্যস্ত আমি জীবনকে অনেকটা রূঢ় বাস্তবতায় দেখি, সেখানে ইফতি এক উচ্ছ্বসিত সদ্য তরুণ যে কিনা একটা ছায়া সুনিবিড় সবুজ গ্রামে জীবনটা পার করছে! 

কোন দিকগুলো ভালো লেগেছে?

ইফতির আশাবাদ, ইতিবাচক দৃষ্টি, অন্যের প্রতি সম্মানসূচক মানসিকতা, যেকোনো মতামত গ্রহণ করার মতো শক্তি, কৌতূহল, অজানাকে জানার আগ্রহ, খেলাধুলায় সক্রিয় অংশগ্রহণ; ইফতি প্রতিদিন ফুটবল খেলে, এই চর্চাটা দারুণ। সবচেয়ে বড় কথা, এর আগে আমি কখনো কাউকে পাইনি যে বলেছে, ‘আমি আমার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট। আমি যা চেয়েছি তাই পেয়েছি!’

ইফতির কোনো বিষয়ে কি আপনি বিব্রত হয়েছিলেন? 

একদমই না।

পরিবার বা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

হ্যাঁ, পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আলাপকালে সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছি যখন শুনেছি যে ইফতি বিবাহিত। ওরা দুই ভাই, এক বোন। ওর বাবা বিদেশে থাকে। পরিবার নিয়ে ইফতি পরিপূর্ণ বোধ করে। ওর দারুণ সব বন্ধুবান্ধব, যার মধ্যে ওর মেয়েবন্ধুরাও খুব কাছের। এমনকি ইফতির শিক্ষকেরাও ওর বন্ধু! 

আপনার বন্ধুদের সাথে কি তাঁকে আলাপ করাবেন?

অবশ্যই। এ রকম প্রাণবন্ত তরুণের সাথে আলাপ করতে পারলে আমার বন্ধুরা খুশিই হবে।

ইফতির মধ্যে আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি লক্ষ্য করলেন?

আমি ইফতিকে নিয়ে দারুণ আশাবাদী! এই বয়সেই ওর চিন্তাভাবনা, জীবনবোধ নিঃসন্দেহে আশারই সঞ্চার করে।

মোবাইল নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

হ্যাঁ।

ফেসবুকে পরস্পর যুক্ত হয়েছেন কি?

না, আসলে ইফতি ফেসবুক ব্যবহার করে না। আমিও তেমন করি না। তাই, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর বিনিময় হলো।

আপনাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

অবশ্যই আছে।

ইফতিকে দুই/তিনটি শব্দে বর্ণনা করুন।

প্রাণোচ্ছল, কৌতূহলী, সহজ মানুষ।

কিছু মানুষকে দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়, একটা ইতিবাচক শক্তির অবস্থান অনুভব করা যায়। ইফতি সে রকম একজন তরুণ। ওকে দেখে আর কথা শুনে আমার মনে হয়েছে, জীবনে প্রথমবারের মতো একজন সুখী-সুন্দর মানুষ দেখছি। জীবনে প্রাপ্তি একেবারে কম নেই আমার, তারপরও নানাভাবে হতাশায় ভুগি। ইফতির কাছ থেকে আমি যেন জীবনের আশার দিশা দেখতে পেলাম! 

আলাপটিকে ১০ নম্বরের মধ্যে আপনি কত দেবেন?

যদিও এ আলাপ নম্বরের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে, তবু ১০/১০ দিলাম।

চাইলে আরও কিছু বলুন।

জীবনের খুঁটিনাটি বিষয়ে ইফতির আগ্রহ, জীবনে চলার পথ সম্পর্কে ওর কৌতূহল আমাকে মুগ্ধ করেছে। এখন লিখতে গিয়েও ইফতির হাসিমাখা মুখটা আমার চোখে ভাসছে আর খেয়াল করলাম, মুখে আপনাআপনি আমার মুখেও হাসি ফুটে উঠল। আশা করব, ইফতি তার সারল্য আর অদম্য আশা নিয়ে জীবনের আসল মানে খুঁজে পাবে। ইফতি একটা সুন্দর পৃথিবীর দাবিদার, ওর পথচলা শুভ ও অসাধারণ হোক। 


ইফতি: ধীরে ধীরে মনে হলো এ যেন এক সত্যিকারের আত্মিক সংযোগ 

প্রথমে সুস্মিতা হোসেন স্বর্ণালীকে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

প্রথমবার দেখার সময় তাকে আমার কাছে সাধারণ একজন মনে হয়েছিল। তবে তার নামটা আমার প্রিয় শিক্ষকের নামের সঙ্গে মিলে যাওয়া এবং কথা বাড়ার সাথে সাথে তার ভাবনার গভীরতা আমাকে আলাপ করার জন্য আকর্ষণ করে। 

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

দুপুরের খাওয়া শেষে আমরাঅতিপ্রাকৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করি। আমি আমার নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলাম, সেখান থেকেই মূলত কথাবার্তার সূত্রপাত।

কোন বিষয়গুলো নিয়ে কথা বললেন আপনারা?

অতিপ্রাকৃত ঘটনা, ব্যক্তিগত অনুভব, জীবনদর্শন, আমার জীবনে বন্ধুদের ভূমিকা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য, প্রকৃতি আর আবহাওয়ার সৌন্দর্য; কী ছিল না! সুস্মিতা আপুর সাথে কথা বলতে বলতে সত্যিই সময়ের হিসাব ছিল না।

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

আমাদের অনেক বিষয়ে মিল ছিল। বিশেষ করে জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভূতির গভীরতা ও স্বাধীন মত প্রকাশ। তবে আমি ভুল কিছু বললে তিনি স্পষ্টভাবে তা সংশোধন করে দিয়েছেন, যা আমাকে আরও বেশি শ্রদ্ধা করতে শিখিয়েছে। 

কোন দিকগুলো ভালো লেগেছে?

সুস্মিতা আপুর সরলতা, সত্য বলার সাহস, কথার গভীরতা, সততা ও সহানুভূতি, সরাসরি সঠিকটা বলার ক্ষমতা, যা আজকের যুগে দুর্লভ।

সুস্মিতার কোনো বিষয়ে কি আপনি বিব্রত হয়েছিলেন?

না, বরং তার সততাই আমাকে আরও স্বচ্ছ করে তুলেছিল। ভুল ধরিয়ে দিলেও সেটা এত ভদ্রভাবে ও স্নেহময় আন্তরিকতার সঙ্গে করেছিলেন যে একদমই বিব্রত বোধ করিনি।

পরিবার বা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

হ্যাঁ, আমি আমার কাছের বন্ধু নেহা, সোমা, আনিকার কথা বলেছি। ওদের গুরুত্ব, ওরা আমাকে যেভাবে সাহায্য করে, সবই আলোচনা করেছি এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুস্মিতা আপুকে আমন্ত্রণও জানিয়েছি।

আপনার বন্ধুদের সাথে কি তাঁকে আলাপ করাবেন? 

অবশ্যই! আমি মনে করি, আমার বন্ধুদের সঙ্গেও তার চমৎকার মিল হবে। তার চিন্তাধারা ও বন্ধুত্বের গুণ আমার বন্ধুদের সাথেও ভালোভাবে খাপ খাবে।

সুস্মিতার মধ্যে আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি লক্ষ্য করলেন?

পুরোটাই আশাবাদ। কথা বলার ভেতর থেকে একধরনের ইতিবাচক শক্তি ও আন্তরিকতা অনুভব করেছি।

মোবাইল নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

হ্যাঁ, আমরা যোগাযোগের নম্বর আদান–প্রদান করেছি। 

ফেসবুকে পরস্পর যুক্ত হয়েছেন কি?

এখনো সেটা হইনি। কারণ, আমি ফেসবুক বলতে গেলে চালাই না, তবে যদি ব্যবহার করি, তাহলে শিগগিরই যুক্ত হব। আমি ইনস্টাগ্রামে আছি, সেখানে আবার আপু নেই।

আপনাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

আশা করছি, নিশ্চয়ই হবে। আপুর সাথে এমন আত্মিক বন্ধনের সূত্র যেভাবে তৈরি হয়েছে, সেটি ভবিষ্যতে আরও দেখা হওয়ার পথ করে দেবে।

সুস্মিতাকে দুই/তিনটি শব্দে বর্ণনা করুন।

সত্যবাদী, সরল ও হৃদয়বান।

আলাপটিকে ১০ নম্বরের মধ্যে আপনি কত দেবেন?

১০/১০। কারণ, এত অল্প সময়ে এত গভীর অনুভব ভাগাভাগি করেছি, যা অত্যন্ত বিরল।

চাইলে আরও কিছু বলুন।

জীবন মাঝে মাঝে এমন কিছু অভিজ্ঞতা দিয়ে দেয়, যা আমাদের গভীরভাবে নাড়া দেয়। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ তার অন্তর্গত দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা আরেকজনকে অনুভব করতে পারে। সুস্মিতা আপুর সঙ্গে আমার আলাপটি ছিল তেমনই। প্রথমে এটা হয়তো ছিল নিতান্ত একটি সামাজিক যোগাযোগ, কিন্তু ধীরে ধীরে মনে হলো এ যেন এক সত্যিকারের আত্মিক সংযোগ।





ক্যাটাগরি: কথা বলি

         

  রেটিং: ৪

এই বিভাগের আরও পোস্ট

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

  • আব্দুল আলিম ও ওহিদুন নবী রিয়াজ|
  •  ৩১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

  • বিনোদ রেমা ও নওরিন নাহার মুনা |
  •  ২০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৫

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

  • মুক্তা আক্তার ও সানজিদা সিদ্দিকী মনমী|
  •  ১০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৩.৫

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

  • পুলক কুমার দেব ও স্মৃতি রানী বর্মণ|
  •  ০১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৪

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

  • খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার রায়|
  •  ২৩-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৭

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

  • মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়|
  •  ১৫-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

জীবনজয়ী ইতিবাচক বিষয়াদি নিয়ে সাজানো একটি বাংলা ওয়েবসাইট। উচ্ছ্বাস–উল্লাস–উৎসব এই সাইটের প্রাণকথা। সম্প্রীতি–সহমর্মিতা ও দয়াধর্ম-মানবতাকে উচ্চে রাখে জীবনজয়ী।