কথা বলি

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার


  • খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার রায়  |
  • প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:৩২
লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার
ছবি: জীবনজয়ী

খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার রায় ‘কথা বলি’তে অংশ নিয়েছিলেন গত বছরের ৬ ডিসেম্বর। সেদিন জীবনজয়ী টিমের সঙ্গে খাদিজা ছিলেন লালমনিরহাট শহরে। আর শিবু সেই শহরেরই মানুষ। খাদিজা সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসএস শেষ করেছেন। শিবু কয়েক বছর আগে রংপুরের কারমাইকেল কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করেছেন। এখন তিনি লালমনিরহাটে খণ্ডকালীন কলেজশিক্ষক।

শিবু: যখন খাদিজার সঙ্গে কথা বলার কথা বলা হয়, তখনই মনে মনে ভালো লেগেছিল 

প্রথমে খাদিজা আক্তারকে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

আমাকে যখন খাদিজার সঙ্গে কথা বলার কথা বলা হয়, তখনই মনে মনে ভালো লেগেছিল। জীবনজয়ী টিম সেদিন লালমনিরহাটে একাধিক ‘কথা বলি’র আয়োজন করেছিল। আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য ছিলেন খাদিজা। প্রথম দেখাতেই তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছিল। লালমনিরহাট সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে বসে আমাদের আলাপ শুরু হয়েছিল।

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

প্রথমে আমরা দুজন পরিচিত হই। তাঁর বাড়ি কোথায়, পরিবারে কারা আছেন, মা–বাবা কী করেন, ভাইবোন কতজন, তিনি বড় নাকি ছোট, কোথায় লেখাপড়া করেছেন—এসব আমাকে বলেন। আমিও তাঁকে বলি আমি কী করি, কোথায় লেখাপড়া করেছি, এখন কী করছি।

কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বললেন আপনারা?

পরিচিত হওয়ার পর আমাদের পছন্দ–অপছন্দ নিয়ে কথা হয়। আমি আমার পছন্দের বিষয়গুলো তাঁকে বলি। তিনি আমার প্রিয় রং জানতে চান। আমি বলি, নীল। তিনি জানতে চান, আমি কী করতে পছন্দ করি। আমি বলি, মানুষকে সাহায্য করতে, বিপদে–আপদে পাশে থাকতে আমার ভালো লাগে। তিনিও তাঁর পছন্দের বিষয়গুলো আমাকে বলেন। তিনি আমার পড়াশোনা সম্পর্কেও জানতে চান।

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

কিছু বিষয়ে মিল ছিল। যেমন আমরা দুজনই রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে লেখাপড়া করেছি। তিনি শান্ত স্বভাবের, যা আমার স্বভাবের সঙ্গেও মিলে যায়। আমি ঘুরতে পছন্দ করি, তিনিও ভ্রমণপিপাসু।

কোন কোন দিক ভালো লেগেছে?

আমাকে যখন খাদিজার সঙ্গে কথা বলার কথা বলা হয়, তখনই মনে মনে ভালো লেগেছিল। খাদিজা দেখতে খুব সুন্দর। প্রথমে আমি একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গিয়েছিলাম। কীভাবে নিজেকে উপস্থাপন করব, তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। তাই মৃদু কণ্ঠে কথা বলা শুরু করি। কিছুক্ষণ পর তাঁর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিই। এজন্য খাদিজাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি খুব আন্তরিকতার সঙ্গে আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁর বাচনভঙ্গি, কথার মাধুর্য এবং সাবলীল দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে মুগ্ধ করেছে। তাঁকে খুবই ভালো মনের মানুষ বলে আমার মনে হয়েছে।

খাদিজার কোনো কিছুতে কি বিব্রত হয়েছিলেন আপনি?

খাদিজার সঙ্গে কথা বলে ভালোই লেগেছে। তবে একটা পর্যায়ে, যখন আমাদের রিকশায় করে ঘুরতে বলা হলো, তখন একটু লজ্জায় পড়ে গিয়েছিলাম। আমি আমাদের কলেজের তাজুল স্যারের দিকে তাকাই। স্যার আমাকে অভয় দেন। আমি খাদিজার সঙ্গে রিকশায় করে লালমনিরহাট সরকারি কলেজ থেকে কালিবাড়ি মন্দির পর্যন্ত যাই। রাস্তায় তাঁকে লালমনিরহাটের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো দেখাই।

পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

পরিবার নিয়ে বিস্তারিত আলাপ হয়েছে।

আপনার বন্ধুদের সঙ্গে কি ওনাকে আলাপ করাবেন?

বন্ধুদের নিয়ে সেভাবে কথা বলার সুযোগ হয়নি। তবে কখনো সুযোগ হলে অবশ্যই আমার বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেব।

আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি দেখলেন?

আশাবাদই বেশি দেখেছি।

মুঠোফোন নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

হ্যাঁ, মুঠোফোন নম্বর বিনিময় হয়েছে। পরে আমাদের যোগাযোগও হয়েছে।

ফেসবুকে কি পরস্পর যুক্ত হয়েছেন?

না, ফেসবুকে যুক্ত হইনি।

আপনাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

পৃথিবী যেহেতু গোল, আমার মনে হয় আমাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর আমরা যেহেতু বাংলাদেশ নামের ছোট একটি দেশে বাস করি, তাই দেখা হওয়ার সম্ভাবনা তো রয়েছেই।

আলাপটিকে আপনি ১০ নম্বরে কত দেবেন?

১০-এর মধ্যে ৯ দেব।

চাইলে আরও কিছু বলুন।

কলেজ থেকে আমরা লালমনিরহাট শহরে একই স্থানে অবস্থিত মসজিদ ও মন্দির দেখতে যাই। জীবনজয়ী টিম, আমাদের কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থী—সব মিলিয়ে আমরা ছিলাম বেশ বড় একটি দল। সেখানে আমাদের ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল ঘোরার জন্য। এই সময়ের মধ্যে আমি খাদিজাকে সদর হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ দেখাই। কিন্তু আমাদের ১০ মিনিটের সময় অতিক্রম হয়ে যায়। তখন বাকিরা আমাদের নিয়ে রীতিমতো হাসিঠাট্টা শুরু করে। আমরা কোথায় ছিলাম, কী করছিলাম—এসব জানতে চাইত। এই ঠাট্টা কয়েক দিন ধরে চলেছিল। কলেজে গেলে শিক্ষার্থীরা বলত, ‘স্যার, আপনাদের সেশনটা দারুণ ছিল।’ আমি বলতাম, ‘আমাদের সেশনটা সত্যিই খুব ভালো ছিল। সুযোগ হলে তোমাদের সঙ্গে খাদিজার কথা বলিয়ে দেব।’


খাদিজা: আমার ভালো লেগেছে তার লাজুকতা আর নম্র আচরণ 

প্রথমে শিবু কুমার রায়কে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

প্রথম দেখায় আমার মনে হয়েছিল, তিনি লালমনিরহাট সরকারি কলেজেরই ছাত্র। পোশাক–পরিচ্ছদ বা চলাফেরায় কোনো বাড়তি কিছু ছিল না। ছিল একধরনের নীরব সরলতা। মুখভঙ্গিতে একটু লাজুকতা, চোখে শান্ত ভাব। একটু পর কথায় কথায় যখন জানলাম, তিনি আসলে সেই কলেজের খণ্ডকালীন শিক্ষক, তখন একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়েছিলাম। কিন্তু একই সঙ্গে মানুষটিকে আরও জানার আগ্রহ তৈরি হলো।

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

আলাপের শুরুটা হয়েছিল খুব স্বাভাবিকভাবে। আমিই আগে নিজের নাম ও পরিচয় বলি। তিনি মনোযোগ দিয়ে শোনেন, তারপর নিজের পরিচয় দেন। কথার ফাঁকে আমি তাঁকে কলেজের মাঠটা দেখাতে অনুরোধ করি। তিনি হাসিমুখে রাজি হন। আমরা একসঙ্গে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে নামতে গল্প করতে থাকি। আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলি। তিনি বলেন তাঁর বিসিএস প্রস্তুতির কথা। কথা বলতে বলতে কখন যে কলেজের মাঠে পৌঁছে যাই, টেরই পাইনি।

কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বললেন আপনারা?

মাঠে পৌঁছে আলাপের বিষয় ঘুরে যায় খেলাধুলার দিকে। আমি ফুটবল নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখানে মেয়েদের জন্যও আলাদা ফুটবল মাঠ আছে। তিনি আমাকে সেখানে নিয়ে যান। মাঠে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ একটি কালো ছাগল চোখে পড়ে। আমি মজা করে বলি, ‘ওই ছাগলটা ধরব নাকি?’ ছাগলটার দিকে দু–এক পা এগোতেই সেটা দৌড়ে পালায়। এই ছোট্ট ঘটনায় আমরা দুজনেই হেসে উঠি। সেই হাসি ছিল খুব সহজ, খুব স্বাভাবিক—কোনো অভিনয় ছাড়া।

এরপর তিনি বলেন, চাইলে আমাকে বলের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। আমি বলি, ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তিনি বিষয়টি খুব সহজভাবেই নিয়েছিলেন।

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

মিল বা অমিল আলাদা করে চোখে পড়েনি। কথাবার্তা বেশ জমে উঠেছিল। গল্পের ফাঁকে ফাঁকে নীরবতাও ছিল, কিন্তু সেটা অস্বস্তিকর নয়; বরং আরামদায়ক। একপর্যায়ে আমি প্রস্তাব দিই, টিচার্স রুমে যেখানে সবাই বসে আছে, সেখান থেকে কিছু খেয়ে আসি। তিনি লজ্জা পেয়ে বলেন, তাঁর ক্ষুধা নেই। আমি হালকা জোর করে বলি, আমার খেতে হবে, চলুন। শেষ পর্যন্ত আমরা একসঙ্গে বসে নাশতা খাই। তিনি তাঁর প্রতিদিনের রুটিন, শিক্ষকতার পাশাপাশি টিউশন এবং খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা বলেন। আমি খুব আগ্রহ নিয়ে মিষ্টি খাচ্ছিলাম দেখে তিনি নিজের প্লেটের মিষ্টিটাও আমার দিকে এগিয়ে দেন। ছোট্ট সেই মুহূর্তে অদ্ভুত এক আন্তরিকতা ছিল।

কোন কোন দিক ভালো লেগেছে?

আমার ভালো লেগেছে তার লাজুকতা আর নম্র আচরণ। কথা বলায় কোনো বাড়াবাড়ি নেই, কোনো অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন নেই। আমি তাঁর শহর ঘুরে দেখতে চেয়েছিলাম। তিনি ধীরে ধীরে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো দেখান। কোথাও তাড়া নেই, কোথাও অস্বস্তি নেই। একসঙ্গে একটি স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলি—স্মৃতির জন্য।

শিবু রায়ের কোনো কিছুতে কি বিব্রত হয়েছিলেন আপনি?

না, আমি কোনোভাবেই বিব্রত হইনি। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে ভালো লেগেছে। তবে যখন তিনি আমাকে নিয়ে শহরের অলিগলি দিয়ে হাঁটছিলেন, তখন কিছু মানুষের দৃষ্টি অন্য রকম ছিল। সেটা আমি বুঝতে পারছিলাম। তাঁর মুখভঙ্গি দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তিনি খানিকটা লজ্জা পাচ্ছিলেন। তবু তিনি স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করেছেন।

পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

বন্ধুদের প্রসঙ্গ তেমন আসেনি। আমি ঢাকা থেকে জীবনজয়ী টিমের সঙ্গে তাঁর শহরে গিয়েছিলাম। সে অর্থে কোনো বন্ধু সঙ্গে ছিল না। তাই আলাপ সেদিকে গড়ায়নি। তিনিও আলাদা করে কিছু জানতে চাননি।

আপনার বন্ধুদের সঙ্গে কি ওনাকে আলাপ করাবেন?

সুযোগ হলে অবশ্যই করাব।

আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি দেখলেন?

আমি আশাবাদই বেশি দেখেছি। তিনি বলেছেন, কোনো এক জরিপের কাজে তিনি ঢাকায় আসেন। আমি তাঁকে বলেছি, ঢাকায় এলে যেন আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি রাজি হয়েছেন।

মুঠোফোন নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

হ্যাঁ, হয়েছে। আমরা যখন রিকশায় ছিলাম, তখন তাঁর ফোনে আমি নিজেই আমার নম্বর টাইপ করে দিই। পরে তিনি আমাকে নক দেন। এরপর আমাদের কথা হয়। আমি শহর ছেড়ে চলে আসার পরও তিনি আমার খোঁজখবর নিয়েছেন।

ফেসবুকে কি পরস্পর যুক্ত হয়েছেন?

না, ফেসবুকে যুক্ত হওয়া হয়নি। আসলে সেই প্রসঙ্গই আসেনি। আমাদের কথোপকথনটা যেন প্রযুক্তির বাইরে—একেবারে নব্বইয়ের দশকের মতো; সরাসরি, আন্তরিক ও নির্ভেজাল।

আপনাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

হয়তো আমার আর তাঁর শহরে যাওয়া হবে না। পড়াশোনা শেষ করে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে। তবে আমি ঢাকায় থাকাকালীন যদি তিনি ঢাকায় আসেন, তাহলে দেখা হবে—এই আশা রয়ে গেছে।

শিবু রায়কে দুই–তিনটি শব্দে বর্ণনা করুন।

শান্ত, মার্জিত, পরিমিত।

আলাপটিকে আপনি ১০ নম্বরে কত দেবেন?

আমি এই আলাপকে ১০-এর মধ্যে ৮ দেব। আরও কিছু সময় একসঙ্গে কাটানোর সুযোগ হলে হয়তো পুরো নম্বরই দিতাম।




ক্যাটাগরি: কথা বলি

         

  রেটিং: ৪.৭

এই বিভাগের আরও পোস্ট

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

  • আব্দুল আলিম ও ওহিদুন নবী রিয়াজ|
  •  ৩১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

  • বিনোদ রেমা ও নওরিন নাহার মুনা |
  •  ২০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৫

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

  • মুক্তা আক্তার ও সানজিদা সিদ্দিকী মনমী|
  •  ১০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৩.৫

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

  • পুলক কুমার দেব ও স্মৃতি রানী বর্মণ|
  •  ০১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৪

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

  • খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার রায়|
  •  ২৩-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৭

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

  • মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়|
  •  ১৫-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

জীবনজয়ী ইতিবাচক বিষয়াদি নিয়ে সাজানো একটি বাংলা ওয়েবসাইট। উচ্ছ্বাস–উল্লাস–উৎসব এই সাইটের প্রাণকথা। সম্প্রীতি–সহমর্মিতা ও দয়াধর্ম-মানবতাকে উচ্চে রাখে জীবনজয়ী।