ইন্টারনেট ছাড়া ২৪ ঘণ্টা
একটা পর্যায়ে নেট ছাড়া থাকাটা প্রশান্তিতে রূপ নেয়। বই পড়া, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যেটা আজকালকার ইন্টারনেট জমানায় আর হয় না।
০
আজকের দিনটি অনেকটা সেই কলেজজীবনের মতো কাটবে, যখন স্মার্টফোনটি ছিল না। দিনগুলো ছিল সাদা-কালোয় ঢাকা, তবে অনেক বেশি বাস্তব। অবসরগুলো কাটত বইয়ের পাতায়, গানের সুরে, টইটই করে ঘুরে।
৫
ক্রমে রাত গভীর হলো। ঘরের বারান্দায় বসে চাঁদের আলোয় প্রকৃতির নীরবতাকে উপভোগ করলাম। মনে হলো, এই পুরো দিনটি আমাকে নতুনভাবে জীবনকে দেখার শিক্ষা দিল।
রাতে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার পরিবর্তে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালাম। অনেক গল্প হলো, পুরোনো দিনের কিছু স্মৃতিচারণ করলাম। পারিবারিক আড্ডা কতটা মধুর হতে পারে, অনেক দিন পর আবার উপলব্ধি করলাম।
দুপুরের খাবার খেলাম একসঙ্গে। ইন্টারনেটের নোটিফিকেশনের টুংটাং নেই, রিপ্লাই দেওয়ার তাড়াহুড়ো নেই। কেবল চুপচাপ ঘর, ভালোবাসার মানুষ আর এক প্লেট গরম ভাতের সঙ্গে মুরগির ঝোলের ঘ্রাণ। এই সহজ-সরল সুখের মুহূর্তগুলোই হয়তো জীবনের আসল সৌন্দর্য।
৪
পরস্পরের পানে চেয়ে কথা বলা, প্রকৃতির মধ্যে নিঃশব্দে হারিয়ে যাওয়া, এসবের মূল্য হয়তো ইন্টারনেট কখনো দিতে পারবে না। দিনের এই সময়টিতে নিজের মনের গভীরে ঢুকতে চাইলাম। অতীতের অনেকগুলো মুহূর্তে ডুবে গেলাম।
অ্যালগরিদম মানুষের, নাকি মানুষ অ্যালগরিদমের? ০
কমলগঞ্জের চা-বাগান আর শাপলা ফোটা লেক ৫
বোর্তে: চেঙ্গিস খানের ভালোবাসা ৫
খাগড়াছড়িতে দিনভর আলাপে মিজান ও শাহীন ৫
চাকরি ছাড়ার ইতিবাচক দিক ৪
আমাদের সম্পর্কে ৩.৯
সংবেদনশীল মানুষরা সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন: ডা. ফওজিয়া মোসলেম ৪.২
জীবনের গোলকধাঁধা: এক স্বপ্নভ্রমণের খতিয়ান ৩.৬
সাবাতিনার কী হয়েছিল? ৪
ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি ৪
৩
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৬ জীবনজয়ী