ইন্টারনেট ছাড়া ২৪ ঘণ্টা
রাতে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার পরিবর্তে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটালাম। অনেক গল্প হলো, পুরোনো দিনের কিছু স্মৃতিচারণ করলাম। পারিবারিক আড্ডা কতটা মধুর হতে পারে, অনেক দিন পর আবার উপলব্ধি করলাম।
৫
দুপুরের খাবার খেলাম একসঙ্গে। ইন্টারনেটের নোটিফিকেশনের টুংটাং নেই, রিপ্লাই দেওয়ার তাড়াহুড়ো নেই। কেবল চুপচাপ ঘর, ভালোবাসার মানুষ আর এক প্লেট গরম ভাতের সঙ্গে মুরগির ঝোলের ঘ্রাণ। এই সহজ-সরল সুখের মুহূর্তগুলোই হয়তো জীবনের আসল সৌন্দর্য।
৪
পরস্পরের পানে চেয়ে কথা বলা, প্রকৃতির মধ্যে নিঃশব্দে হারিয়ে যাওয়া, এসবের মূল্য হয়তো ইন্টারনেট কখনো দিতে পারবে না। দিনের এই সময়টিতে নিজের মনের গভীরে ঢুকতে চাইলাম। অতীতের অনেকগুলো মুহূর্তে ডুবে গেলাম।
গল্পটা গোড়া থেকে বলি। আমার ছোটবেলার বন্ধু সোহান হঠাৎ একদিন ফোন করে বলল, পুরো একদিন ইন্টারনেট ছাড়া থাকতে হবে। আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ‘অসম্ভব!’ সোহান নাছোড়বান্দা। বলল, ‘এটা তোর চ্যালেঞ্জ।’
পরিবারের সবাই মিলে একসঙ্গে বসে খিচুড়ি খেলাম। বাইরে তখনো টিপটিপ বৃষ্টি। গরম ধোঁয়া ওঠা খিচুড়ি, জানালার কাচে বৃষ্টির ফোঁটা আর ঘরের ভেতরের হাসি—সব মিলিয়ে দুপুরটা যেন ছবির মতো সুন্দর হয়ে উঠেছিল।
৩
সারা দিন বেশ ভালো কাটলেও সন্ধ্যায় রুমে ফিরে মনটা বেশ আনচান করছিল। সন্ধ্যায় কিছুক্ষণ ফোন দেখার অভ্যাস রয়েছে। বাসা থেকে ভিডিও কল দেয়। সবাইকে দেখি। কথা বলি। আজ আর সেসব হচ্ছে না। অগত্যা কোর্সের একটা বই নিয়ে পড়তে বসলাম। ঘণ্টা দুয়েক পড়লাম। বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি বলা যায়।
০
ঢাবিতে সোনাঝরা দিনগুলি ৫
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬: পর্ব চার — সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সময়ের অপচয় এবং পণ্য ফাঁদ ৪
বই পড়ে অন্য এক জগতে হারিয়ে গিয়েছিলাম ৫
পুরুষশাসিত চীনে যেভাবে হলো এক নারীর উত্থান ৩.৭
বুকুলেইকি: ফুলে ভরা মণিপুরী এক গ্রাম ৫
আমাদের সম্পর্কে ৩.৯
সংবেদনশীল মানুষরা সবাই আমাদের সঙ্গে আছেন: ডা. ফওজিয়া মোসলেম ৪.২
জীবনের গোলকধাঁধা: এক স্বপ্নভ্রমণের খতিয়ান ৩.৬
সাবাতিনার কী হয়েছিল? ৪
ভবেরচরে সুস্মিতা ও ইফতি ৪
২.৯
২.৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©২০২৬ জীবনজয়ী