কথা বলি

অনুষ্ঠানের ফাঁকে খাদিজা ও শুভ্রময়


  • খাদিজা আক্তার ও শুভ্রময় মাহাতো   ঢাকা |
  • প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ০০:০২
অনুষ্ঠানের ফাঁকে খাদিজা ও শুভ্রময়
ছবি: জীবনজয়ী

বেশ কিছুদিন আগে, বছরখানেক হবে। তখন খাদিজা আক্তার ও শুভ্রময় মাহাতো দুজনেই উচ্চশিক্ষা জীবনের শেষ প্রান্তে। শুভ্রময় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর খাদিজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। সেদিন ঢাকার একটি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে এক অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল এই দুজনের। জীবনজয়ীর অনুরোধে তাঁরা বিনা আড়ম্বরে অংশ নেন কথা বলায়। অনুষ্ঠানের ফাঁকে, মধ্যাহ্নভোজের পরে, সবশেষে বিকেলের চায়ের সময় খাদিজা ও শুভ্রময়ের কথা হয়। পড়ুন পরস্পরের ব্যাপারে তাঁদের কী মনে হয়েছিল।


খাদিজার ভালো লেগেছে শুভ্রময়ের গুরুগম্ভীর ভঙ্গির আড়ালে লুকানো কোমলতা

প্রথমে শুভ্রময় মাহাতোকে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

প্রথম দেখায় ওনাকে মনে হয়েছিল একেবারে সিরিয়াস ধরনের মানুষ। পুরো লুকটাই গুরুগম্ভীর এক ভদ্রলোকের মতো। তখন মনে হচ্ছিল, তিনি হয়তো চাপা স্বভাবের বা কথা কম বলেন। কিন্তু গল্প শুরু হওয়ার পর আমার সেই ধারণা একেবারে উল্টে গেল। বাইরে থেকে ‘কঠিন’, ভেতরে তিনি আসলে অনেক ‘মজারু’ মানুষ। প্রথম দিকে ওনার চুপচাপ ভঙ্গি দেখে মনে হচ্ছিল, এই লোকের কাছ থেকে এক লাইনের বেশি কথা বের করা কঠিন হবে। কিন্তু আলাপ জমতেই দেখি, তিনি নিজেই প্রসঙ্গ পাল্টে পাল্টে একটার পর একটা মজার গল্প শোনাচ্ছেন।

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

আমি নিজের নাম-পরিচয় দিয়ে শুরু করলাম, তারপর ওনার নাম জানতে চাইলাম। আসলে ঘটনাটা একটু সিনেমার মতো হয়েছিল। আমরা একসাথে লাঞ্চ করতে চাইলাম, কিন্তু একসাথে দুটো সিট পাচ্ছিলাম না। তখন দুজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করতে লাগলাম। এই অপেক্ষার মধ্যেই আমাদের প্রাথমিক আলাপ শেষ হয়ে যায়। অবশেষে একটি শান্ত, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে জায়গা পেলাম, তখন গল্পের গতি আরও বেড়ে গেল। খাওয়ার ফাঁকে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কাজের ধরন আর কে কোন গতি নিয়ে এগোচ্ছে, এসব নিয়েই জমে উঠল আলাপ।

কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বললেন?

প্রথমে আলাপ জমল পড়াশোনা নিয়ে। তিনি ইংরেজি শিখছেন, আমিও একই পথে হাঁটছি। এই মিলটাই যেন কথোপকথনের প্রথম সেতুবন্ধন হয়ে গেল। আমি মনের কষ্টের মতো করে বললাম, ‘স্পিকিংয়ে একেবারেই আত্মবিশ্বাস পাই না।’ তিনি তখন শান্তভাবে হেসে বললেন, ‘ধীরে ধীরে এগোলে সবই সম্ভব।’ কথাটা সাধারণ হলেও ভরসার মতো শোনাল। পড়াশোনা থেকে গল্প ঢুকে গেল ভ্রমণ ও সংগীতে। ওনার ভ্রমণকাহিনি শুনতে শুনতে মনে হচ্ছিল, আমি যেন আরামে একটা কফিশপে বসে আছি আর সামনে কোনো ভ্রমণপাগল লেখক তাঁর ভ্রমণদিনলিপি পড়ে শোনাচ্ছেন। পাহাড়, নদী, অচেনা শহর—সব মিলিয়ে কথার ভেতরই আমি অদৃশ্য ভ্রমণ করছিলাম।

সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল তাঁর গবেষণার গল্প। তিনি বললেন, বীজ যদি একটু গভীরে বপন করা হয়, তবে ফলন ভালো হয়। কথাটা শুনে আমার মনে হলো, এ যেন শুধু কৃষিবিদ্যার কথা নয়, জীবনেরও এক শিক্ষা। মানুষ যদি ধৈর্য ধরে একটু গভীরে নিজের চেষ্টা বপন করে, তবে তারও ফলন একদিন প্রাচুর্যে ভরে উঠবে। আরেকটা বিশেষ মুহূর্ত ছিল তাঁর ভারত ভ্রমণের বিবরণ। ওনার বর্ণনায় যেন দৃশ্যপট ভেসে উঠছিল—কলকাতার গলির ভ্যাপসা গরম, দিল্লির ট্রেনের শব্দ, রাস্তার মোড়ে চায়ের দোকান। আমি চোখ বন্ধ করে অনুভব করছিলাম যেন আমিই দাঁড়িয়ে আছি সেই ব্যস্ত রাস্তায়, চারদিকে মানুষের ভিড় আর আমি ধীরে ধীরে ভেসে যাচ্ছি অপরিচিত শহরের স্রোতে। সব মিলিয়ে কথোপকথনটা ছিল একেবারে নদীর মতো; কখনো শান্ত, কখনো স্রোতস্বিনী, আবার কখনো গভীরতার মধ্যে ডুবিয়ে দেওয়া।

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

আমাদের আলোচনায় কোনো মতভেদ চোখে পড়েনি। বরং মনে হচ্ছিল আমি যা ভাবছি, তিনি ঠিক সেটাই বলছেন; তিনি যা বলছেন, আমি আগেই হয়তো ভেবেছিলাম।

কোন কোন দিক ভালো লেগেছে?

সবচেয়ে ভালো লেগেছে গুরুগম্ভীর ভঙ্গির আড়ালে লুকানো কোমলতা। এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায় যাদের মধ্যে একই সাথে দৃঢ়তা, মেধা, সৃজনশীলতা আর নমনীয়তা থাকে। কথায় কথায় আমার মনে হচ্ছিল তিনি একদিকে ক্লাসের সেই কড়া শিক্ষক, যিনি বাড়ির কাজ না করলে বকা দেন; আবার অন্যদিকে ক্লাসের প্রিয় বন্ধু, যিনি আপনাকে টিফিন ভাগ করে খাওয়ান।

শুভ্রময়ের কোনো কিছুতে কি বিব্রত হয়েছিলেন?

নাহ, ওনার কোনো আচরণে আমি বিব্রত হইনি। বরং আমিই তাঁকে বিব্রত করেছি। গান গাওয়ার অনুরোধ করা মানেই হলো কারও লুকানো ভয় বের করা। যদিও তিনি হেসে মাথা নেড়ে বললেন, ‘না না, আমি পারব না।’

পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

পরিবার নিয়ে তেমন কথা হয়নি, তবে বন্ধুত্বের গল্প বেশ হয়েছে। আমি ওনার দুজন বন্ধুর সাথে আলাপ করেছি, যারা এত ভদ্র যে মনে হচ্ছিল তারা যেন নাটকের পার্শ্বচরিত্র; সব সময় মূল চরিত্রকে জ্বলে উঠতে সাহায্য করে। আমার বন্ধুদের সাথেও তিনি খোলামেলা কথা বললেন। একসময় আমরা সবাই মিলে এমনভাবে হাসাহাসি শুরু করলাম যে আশপাশের মানুষজন ভাবছিল, নিশ্চয়ই আমরা কোনো কমেডি শো দেখতে বসেছি। মনে হচ্ছিল, একটা সেতু তৈরি হয়ে গেছে।

আপনার বন্ধুদের সাথে কি ওনাকে আলাপ করাবেন?

হ্যাঁ, আমি সেদিনই শুভ্রময়কে আমার বন্ধুদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছি। আমরা একসাথে নানা ভঙ্গিমায় ছবি তুলেছি। কেউ হাত তুলে ‘ভি’ সাইন করল, কেউ মজা করে মুখ বাঁকাল। সেই মুহূর্তগুলো ছবির চেয়েও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে আছে। মনের হাসির ঝিলিক যেন থামছিলই না।

আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি দেখলেন?

আমি শুভ্রময় মাহাতোকে সম্পূর্ণ আশাবাদী মানুষ হিসেবেই পেয়েছি। তিনি ভবিষ্যতের পরিকল্পনা বলছিলেন এমন ভঙ্গিতে, যেন ইতিমধ্যেই সেগুলো বাস্তবে রূপ নিয়েছে। যেমন—যখন তিনি বিদেশে পড়াশোনার স্বপ্নের কথা বলছিলেন, তখন মনে হচ্ছিল যেন তিনি বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে আছেন, হাতে ব্যাগ, সামনে অজানা আকাশ। তাঁর এই আশাবাদ আমাকে ছুঁয়ে গিয়েছিল।

মুঠোফোন নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

হ্যাঁ, কথার ভেতর দিয়েই খুব স্বাভাবিকভাবে মুঠোফোন নম্বর বিনিময় হয়ে গেল। বিষয়টা এতটাই স্বতঃস্ফূর্ত ছিল যে মনে হলো এটি কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বন্ধুত্বের দরজা খোলার প্রথম চাবি। পরে হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজ চালাচালি হলো।

ফেসবুকে পরস্পর যুক্ত হয়েছেন?

হ্যাঁ। তিনি নিজে থেকেই ফেসবুকে রিকোয়েস্ট পাঠালেন, আমি গ্রহণ করলাম। প্রোফাইল ঘুরে দেখার পর মনে হলো, তাঁর প্রতিটি ছবি যেন ছোট্ট ছোট্ট গল্প বলে। কোথাও দেখা গেল ভ্রমণের মুহূর্তে রঙিন পাহাড়-নদীর পটভূমি; কোথাও সংগীতের সাথে তাঁর একান্ত সময়; কোথাও আবার সাধারণ আড্ডায় হাসিখুশি মুখ। সবকিছু মিলিয়ে প্রোফাইলটা শুধু নান্দনিকই নয়, बल्कि তাঁর জীবনদর্শনের আয়না।

আপনাদের কি আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে?

আমরা দুজনই বিদেশে পড়তে যেতে চাই। তাই মনে হয় এই দেখা শুধু একবারের জন্য নয়, এটি হয়তো এক দীর্ঘ যাত্রার সূচনা। আমি কল্পনা করি, হয়তো কোনো একদিন অচেনা ইউরোপীয় শহরের রাস্তায় হঠাৎ করেই আমরা আবার মুখোমুখি হব। চারপাশে ঝকঝকে আলো, অচেনা ভাষার কোলাহল আর ভিড়ের মাঝে একটা চেনা হাসি হঠাৎ করে চোখে পড়বে। যেমন সিনেমায় হঠাৎ করে দুই চরিত্রের দেখা হয়—একজন কফির কাপ হাতে, অন্যজন বইয়ের দোকানে দাঁড়িয়ে। হয়তো সেদিন আমরা বলব, ‘আরে! এভাবে আবার দেখা হয়ে যাবে ভাবিনি।’ আর মনে মনে হাসব। প্রথম আলাপের সেতুটা সত্যিই আমাদের দীর্ঘদিনের সংযোগে রূপ নিল।

শুভ্রময় মাহাতোকে দুই/তিনটি শব্দে বর্ণনা করুন।

যদি আমাকে খুব অল্প শব্দে তাঁকে বর্ণনা করতে হয়, আমি বলব ‘গম্ভীর অথচ প্রাণবন্ত, মেধাবী ও সৃজনশীল’। গম্ভীরতা যেন তাঁর বর্ম, প্রাণবন্ততা তাঁর অন্তরের ঝরনাধারা।

আলাপটিকে ১০ নম্বরের মধ্যে আপনি কত দেবেন?

এই আলাপকে আমি ১০-এর মধ্যে ৮.৫ দেব। কারণ, এটি শুধু একটা সাধারণ আলাপ ছিল না, বরং এটা ছিল অদৃশ্য জানালা দিয়ে নতুন এক জগৎ দেখা। মনে হচ্ছিল, আমি যেন এক গল্পের বই পড়ছি যেখানে চরিত্রগুলো ধীরে ধীরে প্রাণ পাচ্ছে। হাসি-ঠাট্টায় মনে হচ্ছিল, বন্ধুবান্ধবের আড্ডায় বসে চা খাচ্ছি। এই বৈচিত্র্যই আলোচনাটিকে অসাধারণ করেছে।

চাইলে আরও কিছু বলুন।

এই আলাপ আমাকে শিখিয়েছে যে প্রথম ধারণা কখনোই শেষ সত্য নয়। মানুষকে সময় দিতে হয়, কথা বলতে হয়, ধৈর্য ধরে শুনতে হয়। তখনই বোঝা যায়, বাহ্যিক গাম্ভীর্যের ভেতরে আসলে কী দারুণ প্রাণবন্ত একটা হৃদয় লুকিয়ে আছে।


শুভ্রময়ের চোখে খাদিজা শান্ত, সৃজনশীল ও উদ্যমী 

প্রথমে খাদিজা আক্তারকে দেখে আপনার কী মনে হয়েছিল?

প্রথম দেখাতেই আমার মনে হয়েছিল তিনি খুব শান্তশিষ্ট, বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ। তাঁর ব্যক্তিত্বে একধরনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ছিল, যা প্রথম দেখাতেই আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সাধারণত অচেনা কারও সঙ্গে কথা বলতে আমার একটু দ্বিধা থাকে, কিন্তু তাঁকে দেখে মনে হয়েছিল, তিনি সহজ-সরল মানুষ। তাই প্রথম পরিচয়েই আমার মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল।

কী দিয়ে আলাপ শুরু হয়?

আমাদের আলাপ শুরু হয় পরিচিতি পর্ব দিয়ে। আমি আমার সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে বলি এবং তিনিও তাঁর পড়াশোনা ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কথা শেয়ার করেন। এই পরিচিতি থেকেই আলাপের পরিবেশ তৈরি হয় এবং আমরা ধীরে ধীরে আরামদায়কভাবে কথোপকথনে প্রবেশ করি।

কোন কোন বিষয় নিয়ে কথা বললেন আপনারা?

আমরা মূলত পড়াশোনা, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহ নিয়ে কথা বলেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করছেন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। আমি আমার পড়াশোনার অভিজ্ঞতাও ভাগ করেছি। এ ছাড়া তিনি তাঁর শখের কথা বলেছেন; যেমন—ছবি আঁকা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ।

আলাপকালে মতের মিল বা অমিল কেমন ছিল?

আলাপকালে আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল ছিল, বিশেষ করে শিক্ষা ও জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে। আমরা দুজনেই শিক্ষাকে জীবনের অন্যতম বড় সম্পদ হিসেবে দেখি। তবে কিছু ছোটখাটো বিষয়ে মতের অমিল ছিল, যেমন অবসর সময় কাটানোর ধরন নিয়ে। কিন্তু এই অমিলগুলো মোটেও বিরক্তিকর ছিল না, বরং আলাপকে আরও বৈচিত্র্যময় করেছে।

কোন কোন দিক ভালো লেগেছে?

তার সৃজনশীলতা, উদ্যম, ধৈর্য ও স্পষ্টভাষী মনোভাব আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। তিনি কথা বলার সময় খুব প্রাঞ্জলভাবে নিজের ভাব প্রকাশ করেন, যা আমাকে মুগ্ধ করেছে। এ ছাড়া তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ স্বভাব ও আশপাশের মানুষের প্রতি যত্নশীলতা আমার কাছে বিশেষভাবে প্রশংসনীয় লেগেছে।

কোনো কিছুতে কি বিব্রত হয়েছিলেন আপনি?

আমি মোটেও বিব্রত হইনি। বরং তিনি কথোপকথনকে এতটাই সহজ ও আনন্দদায়ক করেছিলেন যে আমার অস্বস্তি হওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না।

পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে কি আলাপ হয়েছে?

পরিবারের প্রসঙ্গ তেমনভাবে আসেনি। তবে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের নিয়ে কিছু আলোচনা করেছি। ভবিষ্যতে হয়তো পরিবারের বিষয়েও আরও খোলামেলা কথা হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে ওনাকে কি আলাপ করাবেন?

আমি চাইব তিনি আমার বন্ধুদের সাথেও পরিচিত হন, কারণ তাঁর মিশুক স্বভাব আমার বন্ধুদেরও ভালো লাগবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

আশাবাদ নাকি উল্টোটা বেশি দেখলেন?

আমি তার মধ্যে স্পষ্টভাবেই আশাবাদ দেখেছি। বিদেশে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ইচ্ছা এবং সমাজসেবায় অংশগ্রহণ তাঁর ইতিবাচক ও অগ্রসর চিন্তাভাবনাকে ফুটিয়ে তোলে।

মুঠোফোন নম্বর কি বিনিময় হয়েছে?

আমরা মুঠোফোন নম্বর বিনিময় করেছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের যোগাযোগকে আরও সহজ করে তুলবে।

ফেসবুকে পরস্পর যুক্ত হয়েছেন কি?

আমরা ফেসবুকেও বন্ধু হয়েছি, ফলে একে অপরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা সহজ হবে।

আপনাদের আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি?

অবশ্যই, ভবিষ্যতে আবার দেখা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আমরা দুজনই এ নিয়ে আশাবাদী।

খাদিজাকে দুই/তিনটি শব্দে বর্ণনা করুন।

খাদিজা শান্ত, সৃজনশীল ও উদ্যমী।

আলাপটিকে ১০ নম্বরের মধ্যে আপনি কত দেবেন?

আমি এ আলাপকে ১০-এর মধ্যে ৯ দেব। কারণ, এটি আমার জন্য একটি আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ছিল।





ক্যাটাগরি: কথা বলি

         

  রেটিং: ৫

এই বিভাগের আরও পোস্ট

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

রংপুরে রিয়াজের সাথে আলাপ হয় আলিমের

  • আব্দুল আলিম ও ওহিদুন নবী রিয়াজ|
  •  ৩১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

নওরিন ও বিনোদ: সোমেশ্বরী নদীর ওপারে কথা বলি

  • বিনোদ রেমা ও নওরিন নাহার মুনা |
  •  ২০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৫

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

লালমনিরহাটে মনমীর দেখা মুক্তার সঙ্গে

  • মুক্তা আক্তার ও সানজিদা সিদ্দিকী মনমী|
  •  ১০-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৩.৫

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

ঢাবিতে স্মৃতি ও পুলক এর কথা বলা

  • পুলক কুমার দেব ও স্মৃতি রানী বর্মণ|
  •  ০১-০৮-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৪

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

লালমনিরহাটে এক শুভ অপরাহ্নে খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার

  • খাদিজা আক্তার ও শিবু কুমার রায়|
  •  ২৩-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

৪.৭

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

বনলতা বুক ক্যাফেতে মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়

  • মমতাজ বেগম পারভীন এবং মো. সাইদুর রহমান হৃদয়|
  •  ১৫-০৭-২০২৬
ক্যাটাগরি: কথা বলি

জীবনজয়ী ইতিবাচক বিষয়াদি নিয়ে সাজানো একটি বাংলা ওয়েবসাইট। উচ্ছ্বাস–উল্লাস–উৎসব এই সাইটের প্রাণকথা। সম্প্রীতি–সহমর্মিতা ও দয়াধর্ম-মানবতাকে উচ্চে রাখে জীবনজয়ী।