জুলাই ২০২৬

45 posts

হুমায়ুন স্যারের হিমু নাকি অন্য কেউ

সাময়িকী

আমি হেসে ফেললাম। সে আমার হাসির দিকে তাকিয়ে রইল, যেন খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেখছে। হিমুর তো গন্তব্য নেই। আমি মনে মনে ভাবছিলাম আজিজ মার্কেটে গিয়ে ঢুকি। অথবা রিকশা নিয়ে হলে চলে যাই। হিমুকে কথাটা বলব মনে করে ঘাড় ঘুরালাম। কোথায় হিমু? নেই তো নেই।

কেন আপন লাগে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল

বড় স্ক্রিনের আলো তখন নিভে গেছে। জার্সি গায়ে পতাকা হাতে একদল সমর্থক একটানা বাজিয়ে যাচ্ছে ভুভুজেলা। কেউবা নিচ্ছে আনন্দ মিছিলের প্রস্তুতি। দৃশ্যটি দেখে মনে হতে পারে এটি রিও ডিজেনেরিও কিংবা বুয়েরোস আইরেসের রাস্তা। কিন্তু বাস্তবে এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা।

বুলেটপ্রুফ বয় স্কাউটদের চেনেন আপনি?

সাময়িকী

বিটিএসের অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে ওঠার কারণ তাদের গান। তারা শুধু বিনোদন দিতে চায়নি, বরং তরুণদের বাস্তব জীবনের গল্প বলতে চেয়েছে। তাদের গানে উঠে এসেছে পরীক্ষার চাপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ, মানসিক স্বাস্থ্য, আত্মপরিচয়ের সংকট, ব্যর্থতার ভয় এবং নিজেকে ভালোবাসার প্রয়োজনীয়তা।

চারু দিদির বাড়ি

ভ্রমণ

ঝড়-বাতাস মাথায় নিয়ে পথ হারিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চা-বাগান আর রাবারবাগানে ঘুরে অবশেষে চারু দিদির বাড়িতে পৌঁছালাম দুপুর নাগাদ। গাড়ি থেকে নেমে সবাই একছুট। ততক্ষণে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। কাঁচা রাস্তায় প্রায় দৌড়ে গিয়ে আল্পনা আঁকা সেই স্বপ্নের বাড়ির দোরগোড়ায় গিয়ে দাঁড়ালাম।

পুরোপুরি উশুল হওয়া একটা দিন

নাই নেট: স্বেছায় ইন্টারনেট ছাড়া চব্বিশ ঘন্টা

সারা দিন বেশ ভালো কাটলেও সন্ধ্যায় রুমে ফিরে মনটা বেশ আনচান করছিল। সন্ধ্যায় কিছুক্ষণ ফোন দেখার অভ্যাস রয়েছে। বাসা থেকে ভিডিও কল দেয়। সবাইকে দেখি। কথা বলি। আজ আর সেসব হচ্ছে না। অগত্যা কোর্সের একটা বই নিয়ে পড়তে বসলাম। ঘণ্টা দুয়েক পড়লাম। বেশ মনোযোগ দিয়েই পড়েছি বলা যায়।

আমার কিশোরীকাল: এক

সাময়িকী

বেদে মেয়েরা গায়ে পড়ে কথা বলে না। আমি যেচে কথা বলতে যাই। খুব একটা সাড়া পাই না। একটা কথা জিজ্ঞাসা করলে একটাই উত্তর দেয়। একজনের সাথে একটু একটু কথা হয়। তার নতুন বিয়ে। সেজন্য সে নৌকায় থাকে। তাদের কাপড় পরা অন্য রকম। শরীর ঢেকে যায় কিন্তু দেহের গঠনটা সুন্দর করে ফুটে ওঠে। মেয়েটা দেবী দুর্গার মতো।