সেই রাতে ট্রেনের ঝিকঝিক শব্দ, আমাদের গিটারের ঝংকার আর গানে মুখর হয়ে উঠেছিল ট্রেনের কোচ। টিটি আঙ্কেলও আমাদের সঙ্গে গলা মেলালেন। জানলাম, তাঁর ছেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমাদের দেখে নিজের ছেলের কথা মনে পড়ায় তিনি এতটা যত্ন করেছিলেন।
গত বছর এপ্রিল মাসের শেষ দিকে খুলনা শহরে বিস্ট্রো-সি রেস্টুরেন্টে জীবনজয়ীর আমন্ত্রণে “কথা বলি” আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন হৃদিকা আহসান শ্রেয়া এবং তনুরুহা ইসলাম হৃদ্যতা। প্রথমজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী, আর দ্বিতীয়জন খুলনার নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টে
কল্পনা ও বাস্তবের পার্থক্যটাই যেন ঘুচিয়ে দিতে চাইছে প্রযুক্তি—তা সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে পছন্দের মানুষের জন্য চিঠি লেখা হোক, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য সক্রেটিসের জবানবন্দীর ঢঙে বিশেষজ্ঞসুলভ পোস্ট তৈরি করা হোক কিংবা মানুষের শরীরে ন্যানোরোবট পাঠানোই হোক।
আমার পরিচয় শুনে তিনি বললেন, “তুমি গোবিন্দ বাবুর ছেলে!”
এই একটি বাক্য আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুভূতি হয়ে আছে। আমার নিরক্ষর মৎস্যজীবী বাবাকে কেউ কোনোদিন ‘বাবু’ বলে সম্বোধন করেনি। একজন বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের মুখে বাবার জন্য সেই সম্মানসূচক সম্বোধন শুনে বুক গর্বে ভরে উঠেছিল। তখন মনে হয়েছিল
সকালে ঘুম ভাঙার পর বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি দুই পাশে পাহাড়, চা-বাগান, বিশাল বিশাল গাছ আর সাথে মৃদু বাতাস। একটা সবুজ সকাল! এমন সকাল দেখা সৌভাগ্য বটে! শ্রীমঙ্গল প্রথমেই যে দৃশ্যটি আমায় দেখালো, তা এককথায় মনোমুগ্ধকর! চলুন শুরু থেকে বলি।
কিউবার এক ছোট্ট জেলেপল্লীতে বসবাস সান্তিয়াগোর। বয়স মধ্য আশি। শরীর ক্লান্ত। সঙ্গে ভাগ্যও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। টানা চুরাশি দিন তার টোপে কোনো মাছ ধরা পড়েনি। গ্রামের লোকেরা তাকে অপয়া বলে। এমনকি তার মাছ ধরার একমাত্র সঙ্গী মানোলিনকেও তার বাবা-মা সান্তিয়াগোর সঙ্গে যেতে নিষেধ করে। তবু পঁচাশিতম দিনে